কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক হাদিসের কিছু উদাহরণ

কুরআনহাদিস
✓ ধর্মে কোনো জবরদস্তি নেই। সত্যপথ অসত্যপথ থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে। (২:২৫৬)


✓ তিনি বললেন, হে আমার সম্প্রদায়! যদি আমার কাছে আমার প্রভুর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকে এবং তিনি আমাকে তাঁর নিকট থেকে রহমত দান করেন, যা তোমাদের কাছে অদৃশ্য, তবে কি আমি তোমাদেরকে জোর করে তা গ্রহণ করাতে পারি যদিও তোমরা তা অপছন্দ কর? (১১:২৮)

✓ আর যদি তোমার রব চাইতেন, তাহলে পৃথিবীর সকলেই ঈমান আনত। তবে কি তুমি মানুষকে জোর করবে যাতে তারা মুমিন হয়? (১০:৯৯)
✗ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার দ্বীন পরিবর্তন করে, তাকে হত্যা করো।” (সুনান আন-নাসায়ী ৪০৫৯)

✗ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার দ্বীন ত্যাগ করে এবং সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তার রক্তপাত বৈধ।” (সহীহ মুসলিম ১৬৭৬)
✓ বলো, তোমরা আল্লাহ নামে ডাকো অথবা রহমান নামে ডাকো। যে নামেই ডাকো না কেন, সুন্দরতম নামসমূহ তাঁরই। তোমার নামাযে স্বর উচ্চ করো না এবং খুব নীচুও করো না, বরং এ দুইয়ের মাঝামাঝি পথ অবলম্বন করো। (১৭:১১০)✗ আবু মা’মার (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি খাব্বাব (রা.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যোহর ও আসরের নামাযে কি কিরাআত পড়তেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারা জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কিভাবে জানলে? তিনি বললেন, “তাঁর দাড়ির নড়াচড়া দেখে”। (সহীহ বুখারী ৭৭৭)
→ (অর্থাৎ নীরবে কিরাআত করতেন)
✓ আর আমি বনী ইসরাইলকে সমুদ্র পার করে দিলাম। অতঃপর ফিরাউন ও তার সৈন্যবাহিনী অত্যাচার ও শত্রুতার সাথে তাদের পিছু নিল। অবশেষে যখন ডুবে যাওয়ার উপক্রম হলো, তখন বলল, আমি বিশ্বাস করলাম যে, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, যাঁর প্রতি বনী ইসরাইল ঈমান এনেছে এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত। এখন? অথচ তুমি এর আগে অবাধ্যতা করেছিলে এবং তুমি ছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের অন্যতম। আজ আমি তোমার দেহকে উদ্ধার করব যাতে তুমি পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকো। আর অধিকাংশ মানুষ আমার নিদর্শনসমূহ থেকে গাফেল। (১০:৯০-৯২)✗ মু’আয ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যার শেষ কথা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ হবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সুনান আবু দাউদ ৩১১৬)
✓ ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ, তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত করো। আল্লাহর দ্বীনে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতের দিনে বিশ্বাসী হও। আর মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (২৪:২)✗ উমর (রা.) বলেন, আমি আশঙ্কা করি যে, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলে লোকেরা বলবে, ‘আমরা কুরআনে রজমের আয়াত পাই না’ এবং তারা একটি ফরয ত্যাগ করে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। জেনে রাখো, রজমের শাস্তি বিবাহিত ব্যভিচারীর জন্য প্রযোজ্য যদি সাক্ষী অথবা গর্ভাবস্থা অথবা স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমাণিত হয়। আল্লাহর রাসূল (সা.) রজমের শাস্তি কার্যকর করেছেন এবং আমরাও তাঁর পরে করেছি। (সহীহ বুখারী ৮১৬)
✓ নিশ্চয় যারা তাদের দ্বীনকে খণ্ড খণ্ড করে বিভক্ত হয়েছে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের সাথে তোমার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের বিচার আল্লাহর কাছে। অতঃপর তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন যা তারা করত। (৬:১৫৯)

✓ একনিষ্ঠ হয়ে তাঁর প্রতি মনোনিবেশ করো এবং সালাত কায়েম করো। আর মুশরিকদের মতো হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে খণ্ড খণ্ড করে বিভক্ত হয়েছে এবং প্রত্যেক দল যা নিজেদের কাছে আছে তাতেই আনন্দিত। (৩০:৩১-৩২)

✓ আর তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। (৩:১০৩)
✗ আওফ ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “…আমার উম্মত ৭৩টি দলে বিভক্ত হবে। তার মধ্যে একটি জান্নাতে যাবে এবং বাকি ৭২টি জাহান্নামে যাবে।” (সুনান ইবনে মাজাহ ৩৯৯২)
✓ বলুন, কে হারাম করেছে আল্লাহর সেই সৌন্দর্য ও পবিত্র রিযিক যা তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন? বলুন, এসব দুনিয়ার জীবনে মুমিনদের জন্য এবং কিয়ামতের দিনে একান্তই তাদের জন্য। এভাবেই আমি আয়াতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা করি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য। (৭:৩২)

✓ তারা স্থায়ী বাসস্থানের উদ্যানে থাকবে, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা সোনার কঙ্কন পরিধান করবে এবং সেখানে তারা সূক্ষ্ম রেশম ও মোটা রেশমের সবুজ পোশাক পরিধান করে সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসবে। উত্তম প্রতিদান এবং উত্তম বিশ্রামস্থল। (১৮:৩১)
✗ নবী (সা.) বলেছেন: রেশম ও সোনা এই উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে এবং তাদের জন্য এটা পরকালে বৈধ করা হয়েছে। (সুনান ইবনে মাজাহ ৩৫৯০)

✗ আলী ইবনে আবী তালিব (রা.) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর বাম হাতে রেশম এবং ডান হাতে সোনা নিয়ে বললেন: এই দুটি জিনিস আমার এই উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম এবং নারীদের জন্য বৈধ। (সুনান আন-নাসায়ী ৫১৪৮)
✓ হে ঈমানদারগণ! যখন তোমরা নামাযের জন্য দাঁড়াতে চাও তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত কনুই পর্যন্ত ধুয়ে ফেলো এবং মাথায় ও পা টাখনু পর্যন্ত মাসেহ করো। (সূরা মায়িদাহ ৫:৬)✗ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী (সা.) প্রত্যেক অঙ্গ একবার করে ধুয়ে ওযু করেছেন। (সহীহ বুখারী ১:৪:১৫৯৭)

✗ আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী (সা.) প্রত্যেক অঙ্গ দু’বার করে ধুয়ে ওযু করেছেন। (সহীহ বুখারী ১:৪:১৫৬০)

✗ হুমরান (উসমান (রা.)-এর গোলাম) থেকে বর্ণিত: আমি উসমান ইবনে আফফান (রা.)-কে দেখলাম, তিনি পানির একটি পাত্র চেয়ে নিলেন। যখন পাত্র আনা হলো তিনি তাতে হাত ঢেলে হাত ধুলেন তিনবার… (এভাবে পুরো ওযু তিনবার করে বর্ণনা করা হয়েছে)। (সহীহ বুখারী ১:৪:১৫৬১)
✓ তুমি মনে করবে তারা জেগে আছে, অথচ তারা ঘুমন্ত। আমি তাদেরকে ডান দিকে ও বাম দিকে পাশ ফিরিয়ে দিতাম। আর তাদের কুকুরটি সামনের পা দুটি গুহার দরজায় প্রসারিত করে রেখেছিল। (১৮:১৮)

✓ তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তাদের জন্য কী হালাল করা হয়েছে। বলো, তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে যা ভালো ও পবিত্র। আর শিকারী পশু-পাখি যাদেরকে তোমরা প্রশিক্ষণ দিয়েছ আল্লাহর শিক্ষা অনুযায়ী, যারা তোমাদের জন্য যা ধরে এনে দেয় তা খাও এবং তার উপর আল্লাহর নাম নাও। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো। নিশ্চয় আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। (৫:৪)
✗ জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে কালো কুকুর হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে তিনি বললেন, যে কুকুরের দুই চোখের মাঝখানে সাদা দাগ থাকে সেটা শয়তান। (সহীহ মুসলিম ১৫৭২)
✓ যারা শাস্তির হুকুম প্রাপ্ত হয়েছে, তাদের কি তুমি (মুহাম্মদ) জাহান্নাম থেকে উদ্ধার করতে পারবে? (৩৯:১৯)

✓ বলো, সমস্ত শাফায়াত আল্লাহরই। (৩৯:৪৪)

✓ যেদিন কোনো বেচাকেনা হবে না, কোনো বন্ধুত্ব হবে না এবং কোনো শাফায়াতও হবে না। (২:২৫৪)

✓ তারা আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুর ইবাদত করে যা তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারে না এবং কোনো উপকারও করতে পারে না। তারা বলে, এরা আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। বলো, তোমরা কি আল্লাহকে এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত করছ যা তিনি আসমানসমূহে ও পৃথিবীতে জানেন না? তিনি মহান, পবিত্র এবং তারা যা শরীক করে তা থেকে তিনি অনেক ঊর্ধ্বে। (১০:১৮)
✗ নবী (সা.) বলেছেন, কিছু লোক জাহান্নাম থেকে বের করে নেওয়া হবে মুহাম্মদ (সা.)-এর শাফায়াতের মাধ্যমে। তারা জাহান্নামী হয়ে গিয়েছিল, তারপর তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদেরকে আল-জাহান্নামিয়্যীন বলা হবে। (সহীহ বুখারী ৮:৭৬:৫৭১)

✗ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: যদি একশ’ জন মুসলিম কোনো মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাযে অংশগ্রহণ করে এবং তারা সকলে তার জন্য শাফায়াত করে, তাহলে তাদের সেই শাফায়াত কবুল করা হবে। (সহীহ মুসলিম ২০৭১)
✓ তোমাদের মধ্যে এমন এক দল থাকা উচিত যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকর্মের আদেশ দেবে এবং অসৎকর্ম থেকে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম। (৩:১০৪)

✓ তোমাদের কী হলো যে, তোমরা আল্লাহর পথে ও দুর্বল পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য যুদ্ধ করছ না, যারা বলে: হে আমাদের রব! আমাদেরকে এই জালিম সম্প্রদায়ের শহর থেকে বের করে নাও… (৪:৭৫)

✓ হে ঈমানদারগণ! তোমরা ন্যায়ের উপর অটল থেকো, আল্লাহর জন্য সাক্ষ্যদানকারী হয়ে, যদিও তা তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে, বা পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে হয়। (৪:১৩৫)
✗ তুমি আমিরের কথা শুনবে এবং মানবে যদি তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করা হয় বা তোমার ধন-সম্পদ কেড়েও নেয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং মানবে। (মুসলিম ১৮৪৭b)
✓ নিশ্চয় তুমি মৃতদেরকে শোনাতে পারবে না এবং বধিরদেরকে যখন তারা পিঠ ফিরিয়ে চলে যায় তাদেরকে ডাক শোনাতে পারবে না। (২৭:৮০)

✓ নিশ্চয় তুমি মৃতদেরকে শোনাতে পারবে না এবং বধিরদেরকে যখন তারা পিঠ ফিরিয়ে চলে যায় তাদেরকে ডাক শোনাতে পারবে না। (৩০:৫২)

✓ জীবিত ও মৃত সমান নয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শোনান, আর তুমি কবরে যারা আছে তাদেরকে শোনাতে পারবে না। (৩৫:২২)
✗ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত: নবী (সা.) বদরের কূপের দিকে তাকিয়ে বললেন: “তোমরা কি তোমাদের রবের প্রতিশ্রুতি সত্য পেয়েছ?” কেউ একজন বলল: আপনি মৃতদের সাথে কথা বলছেন? তিনি বললেন: “তোমরা তাদের চেয়ে বেশি শোনার ক্ষমতা রাখ না, কিন্তু তারা উত্তর দিতে পারে না।” (বুখারী ১৩৭০)
✓ বলো: আমি রাসূলদের মধ্যে নতুন নই। আর আমি জানি না আমার ও তোমাদের সাথে কী করা হবে। আমার প্রতি যা ওহী করা হয়, আমি কেবল তারই অনুসরণ করি। আর আমি একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র। (৪৬:৯)

✓ যেদিন আল্লাহ রাসূলগণকে একত্রিত করবেন, অতঃপর বলবেন: তোমাদেরকে কী জবাব দেয়া হয়েছিল? তারা বলবে: আমরা অবগত নই, আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে মহাজ্ঞানী। (৫:১০৯)
✗ উমর (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার ওপর আমার মা-বাপ উৎসর্গ হোক! একটা জানাযাহ অতিক্রম করলে তার প্রতি ভাল মন্তব্য করা হলে আপনি ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে- বললেন! আর একটা জানাযাহ অতিক্রমকালে তার প্রতি খারাপ মন্তব্য করা হলে আপনি ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে, ওয়াজিব হয়েছে- বললেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন: তোমরা যার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য করেছ তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আর তোমরা যার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেছ তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছে। (মুসলিম ৯৪৯a)

✗ আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বাগানে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে দরজা পাহারা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। এক লোক এসে প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেন: তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি ছিলেন আবূ বকর (রাঃ)। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) আসলেন। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তারপর ‘উসমান (রাঃ) আসলেন। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। (বুখারী ৭২৬২)
✓ কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়। (৪২:১১)

✓ তার কোনো সমকক্ষ নেই। (১১২:৪)
✗ আল্লাহ আদমকে তাঁর সুরতে সৃষ্টি করেছেন। (মুসলিম ২৬১২e)
✓ তারা বলে: তার প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?… (১৩:৭)

✓ যারা কুফরী করে তারা বলে: তার প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?… (৬:১০৯)

✓ তারা বলে: তার প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন? বলো: নিশ্চয় আল্লাহ যে কোনো নিদর্শন প্রকাশ করতে সক্ষম, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না। (৬:৩৭)

✓ তারা বলে: আমাদের কখনো তোমার প্রতি ঈমান আনব না যতক্ষণ না তুমি আমাদের জন্য এই ভূমি থেকে একটি ঝর্ণাধারা উৎসারিত করো… অথবা তুমি আকাশে আরোহণ করো… বলো: আমার রব মহান পবিত্র! আমি কি মানব-রাসূল ছাড়া অন্য কিছু? (১৭:৯০-৯৩)

✓ তারা বলে: তার প্রতি তার রবের পক্ষ থেকে নিদর্শনসমূহ অবতীর্ণ হয় না কেন?… এ কি তাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, আমি তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ করেছি যা তাদের কাছে পাঠ করা হয়?… (২৯:৫০-৫১)
✗ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা (বুখারী ৩৬৩৭, ৪৮৬৪)

✗ অঙ্গুলি থেকে পানির ধারা প্রবাহিত হওয়া (বুখারী ৩৫৭৬, ৪১৫২)

✗ খাদ্য বৃদ্ধি (বুখারী ৪১০২)

✗ খেজুর গাছের কান্না (বুখারী ৩৫৮৩)

✗ পাথরের সালাম দেওয়া (মুসলিম ৫৬৩৩)