হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক হাদিসের কিছু উদাহরণ

ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর মতে, সূরা বাকারার ১৮৪ নং আয়াতটি রহিত হয়নি, এটি বৃদ্ধদের জন্য প্রযোজ্য (সহিহ বুখারী ৪৫০৫)সালামা ইবনে আকওয়ার মতে, এই আয়াতটি পরবর্তী আয়াত দ্বারা রহিত হয়ে গেছে (সহিহ বুখারী ৪৫০৬, ৪৫০৭)
নবীজি (সাঃ) অঙ্গচ্ছেদ করতে নিষেধ করেছেন (সহিহ বুখারী ২৪৭৪)উরাইনা গোত্রের লোকদের হাত-পা কেটে এবং চোখ অন্ধ করে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল (সহিহ বুখারী ১৫০১)
যে শিঙ্গা লাগায় এবং যাকে লাগানো হয়, উভয়েরই রোজা ভেঙে যায় (আবু দাউদ ২৩৬৭)নবীজি (সাঃ) রোজা অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন (সহিহ বুখারী ১৯৩৮)
গুপ্তহত্যা করতে নিষেধ করা হয়েছে (আবু দাউদ ২৭৬৯)আবু রাফি’কে গুপ্তহত্যার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তা কার্যকর করা হয় (সহিহ বুখারী ৩০২২, ৩০২৩)
জীবিত আত্মীয়দের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয় (সহিহ মুসলিম ৯২৭a-f)আয়িশা (রাঃ) এটি অস্বীকার করে কুরআনের আয়াত দিয়ে বলেন, কেউ অন্যের পাপের বা কাজের বোঝা বইবে না (সহিহ বুখারী ১২৮৬, ১২৮৭, ১২৮৮)
নবীজি (সাঃ) জয়নব (রাঃ)-এর কাছে মধু খেতেন এবং আয়িশা ও হাফসা (রাঃ) মিলে পরিকল্পনা করেছিলেন (সহিহ মুসলিম ১৪৭৪a)নবীজি (সাঃ) হাফসা (রাঃ)-এর কাছে মধু খেতেন এবং আয়িশা ও সাওদা (রাঃ) পরিকল্পনা করেছিলেন (সহিহ মুসলিম ১৪৭৪b)
নবীজি (সাঃ) ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ নিতেন না (সহিহ বুখারী ৬১২৬)নবীজি (সাঃ) ব্যক্তিগত ব্যাপারে প্রতিশোধ নিয়েছেন (সহিহ বুখারী ৪৪৫৮)
অশুভ লক্ষণ বলতে কিছু নেই (সহিহ মুসলিম ২২২০b)নারী, বাড়ি ও ঘোড়ার মধ্যে অশুভ লক্ষণ রয়েছে (সহিহ বুখারী ২৮৫৮, ২৮৫৯)
কুরআনের সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াত হলো সুদ সংক্রান্ত আয়াত (সহিহ বুখারী ৪৫৪৪)সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াত হলো সূরা নিসার ১৭৬ নম্বর আয়াত (উত্তরাধিকার সংক্রান্ত) (সহিহ বুখারী ৪৬০৫, সহিহ মুসলিম ৩৯৩৯)
দাঁড়িয়ে পানি পান করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে (সহিহ মুসলিম ২০২৪, ২০২৫, ২০২৬; ইবনে মাজাহ ৩৪২৪)নবীজি (সাঃ) নিজে দাঁড়িয়ে পানি পান করেছেন (সহিহ বুখারী ৫৬১৫, ৫৬১৬)
নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে নারী, গাধা বা কুকুর গেলে নামাজ বাতিল হয়ে যায় (সহিহ মুসলিম ৫১১)আয়িশা (রাঃ) এর প্রতিবাদ করে বলেন যে, নবীজি (সাঃ) নামাজ পড়তেন আর তিনি সামনে শুয়ে থাকতেন (সহিহ বুখারী ৫১১, সহিহ মুসলিম ৫১২a, b, c, d)
আশুরার রোজা পালনের প্রথা জাহেলী যুগে মক্কার কুরাইশরা পালন করত এবং নবীজিও (সাঃ) তখন পালন করতেন (সহিহ বুখারী ৩৮৩১)মদিনায় হিজরতের পর ইহুদিদের দেখে নবীজি (সাঃ) আশুরার রোজা রাখার নির্দেশ দেন (সহিহ বুখারী ৩৯৪২)
ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সাঃ) কাবার ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে ইব্রাহিম ও মারইয়ামের ছবি দেখতে পান (সহিহ বুখারী ৩৩৫১)ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সাঃ) ছবিগুলো দেখতে পেয়ে কাবার ভেতরে প্রবেশ করেননি যতক্ষণ পর্যন্ত না সেগুলো মিটিয়ে ফেলা হয় (সহিহ বুখারী ৩৩৫২)
নবীজি (সাঃ) ইহরাম অবস্থায় বিয়ে করেছিলেন (সহিহ বুখারী ৫১১৪)নবীজি (সাঃ) ইহরাম খোলা অবস্থায় মাইমুনাকে বিয়ে করেছিলেন (সহিহ মুসলিম ১৪১১)
আসরের নামাজের পর কোনো নামাজ পড়া নিষেধ (সহিহ বুখারী ৫৮৭, ৫৮৮)নবীজি (সাঃ) নিজে আসরের পর নিয়মিত দুই রাকাত নামাজ পড়তেন (সহিহ বুখারী ৫৯২, ৫৯৩)
উহুদ যুদ্ধের বীর হিসেবে সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নাম এবং সাহসিকতার বর্ণনা (সহিহ বুখারী ৪০৫৫, ৪০৫৭)একই ঘটনার বর্ণনায় সা’দ বিন মালিক (রাঃ)-এর নাম বা ভিন্ন সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে (সহিহ বুখারী ৪০৫৯)
নবীজি (সাঃ) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছিলেন (সহিহ বুখারী ২২৪, সহিহ মুসলিম ২৭৩a)যে ব্যক্তি বলবে রাসুল (সাঃ) দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন, আয়িশা (রাঃ) তাকে বিশ্বাস করতে নিষেধ করেছেন (নাসায়ী ২৯)
প্রথম ওহী ছিল সূরা আলাকের ‘ইকরা’ (পড়ো) সংক্রান্ত আয়াত (সহিহ বুখারী ৪৯৫৫)প্রথম ওহী ছিল সূরা মুদ্দাসসিরের আয়াত (সহিহ বুখারী ৪৯২২)
দাজ্জালের ডান চোখ হবে কানা (সহিহ মুসলিম ২৯৩৪a)দাজ্জালের বাম চোখ হবে কানা (সহিহ মুসলিম ১৬৯e)
ঈসা (আঃ)-এর গায়ের রং ছিল লাল (সহিহ বুখারী ৩৪৩৮)ঈসা (আঃ)-এর গায়ের রং ছিল বাদামী (সহিহ বুখারী ৩৪৪০)
নবীজি (সাঃ) নবুওয়াতের পর মক্কায় ১০ বছর অবস্থান করেছিলেন (সহিহ বুখারী ৪৯৭৮, ৪৯৭৯)অপর বর্ণনায় ১৩ বছর (সহিহ মুসলিম ২৩৫১a, b; সহিহ বুখারী ৩৯০২) এবং অন্যটিতে ১৫ বছর মক্কায় থাকার কথা বলা হয়েছে। (সহিহ মুসলিম ২৩৫৩e)
নবীজি (সাঃ) ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন (সহিহ বুখারী ৩৫৪৮)অন্য বর্ণনায় এসেছে, ওফাতকালে নবীজির (সাঃ) বয়স ছিল ৬৩ বছর (সহিহ বুখারী ৩৫৩৬, ৩৯০২)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, ওফাতকালে নবীজির (সাঃ) বয়স ছিল ৬৩ বছর (সহিহ বুখারী ৩৫৩৬, ৩৯০২)ফাতিমাহ্ বিনতু কায়স তালাকপ্রাপ্তা ছিলেন (সহিহ মুসলিম ২৯৪২b, ১৪৮০d)
দাজ্জাল সংক্রান্ত হাদিসে তামিম দারির সমুদ্র যাত্রার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে (সহিহ মুসলিম ২৯৪২a)অন্য বর্ণনায় তামিম দারির বদলে তার চাচাতো ভাইয়ের সমুদ্র যাত্রার উল্লেখ পাওয়া যায় (সহিহ মুসলিম ২৯৪২b)
সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ১০০ কিংবা ৯৯ (সহিহ বুখারী ২৮১৯)

সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ৭০ (সহিহ বুখারী ৩৪২৪)

সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ১০০ (সহিহ বুখারী ৫২৪২)

সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ৯০ (সহিহ বুখারী ৬৭২০)

সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ৯০ (সহিহ বুখারী ৬৬৩৯)

সুলাইমান-এর স্ত্রী সংখ্যা ৬০ (সহিহ বুখারী ৭৪৬৯)