হাদিস ও বাইবেল বনাম কুরআন

১. বাইবেলে ‘আমেন’ বলার কথা উল্লেখ আছে, ডিউটেরোনোমি ২৭:১৪-২৬। কুরআনে নেই।

২. বাইবেলে ছবি, ভাস্কর্য ইত্যাদি তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা আছে, ডিউটেরোনোমি ৪:১৫-১৮। কুরআনে নেই।

৩. বাইবেলে ধর্ম-যাযকদের দাড়ি রাখার প্রথা উল্লেখ করা আছে, লেভিটিকাস ১৯:২৭, লেভিটিকাস ২১:৫, সেকেন্ড স্যামুয়েল ১০:৫। কুরআনে নেই।

৪. বাইবেলে ব্যভিচারীকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যার কথা বলা আছে, ডিউটেরোনোমি ২২:২৩-২৪, লেভিটিকাস ২০:১০। কুরআনে নেই।

৫. ‘আক্বিদাহ’ শব্দটি হিব্রু বাইবেলে পাওয়া যায়। “আকিদাত-ইশহাখ” বলতে আব্রাহাম ও ইসহাকের সংকল্পকে বোঝায় – ‘যে ইসহাক কোরবান হবে।’ আক্বিদা শব্দটি কুরআনে নেই।

৬. ধর্মত্যাগী বা মুরতাদ হত্যার বিধান বাইবেলে আছে, ডিউটেরোনোমি ১৩:৫, লেভিটিকাস ২৪:১৬। কুরআনে নেই।

৮. ইহুদিরা নববর্ষের ১০ম দিনটি “ইয়ম কিপ্পুর” হিসেবে পালন করে, এটি তাদের কাছে পাপমোচনের দিন। শিয়ারাও ইসলামী নববর্ষের ১০ম দিনকে পাপমোচনের দিন হিসেবে পালন করে। এটি কুরআনে নেই।

৮. বাইবেলে ‘ধর্ম অবমাননা’ বা ব্লাসফেমি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।মার্ক ১৪:৬২-৬৪, মার্ক ৩:২৮।ib কুরআনে এমন কথা বলা নেই।

৯. বাইবেলে হাজারাহ ও ইশমায়েলের পানি খুঁজতে গিয়ে কুয়া সৃষ্টির ঘটনা বর্ণনা করা আছে, জেনেসিস ২১:১৪-২১। কুরআনে নেই।

১০. রক্ষাকর্তা হিসেবে যিশুর দ্বিতীয় আগমনের কথা বাইবেলে আছে। কুরআনে নেই।

১১. নারীদের মাথা বা চুল ঢেকে রাখার নির্দেশনা বাইবেলে আছে,ফার্স্ট কোরিন্থিয়ান্স ১১:২-১৬। কুরআনে নেই।

১২. ধর্ম প্রচারকদের পরিচায়ক হিসেবে মাথায় পাগড়ি বাঁধার কথা বাইবেলে আছে, এক্সোডাস ২৮:৪। কুরআনে নেই।

এবার বলেন কে ইহুদি, কে খ্রিস্টান আর কে মুসলিম?