কুরআনে ইবাদতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যা বা পরিমাণের অনুপস্থিতি

পবিত্র কুরআন পাঠ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের নজরে আসে: সমগ্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা অধিকাংশ ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা ফ্রিকোয়েন্সি নির্ধারণ করে দেননি। আমরা কুরআনে দেখতে পাই না যে, ওজুতে হাত কতবার ধুতে হবে, সম্পদের কত শতাংশ যাকাত দিতে হবে, কোন ওয়াক্তের সালাত কত রাকাত হবে, হজ্জের সময় কাবাঘরের চারপাশে কতবার ঘুরতে হবে অথবা সাফা ও মারওয়ার মধ্যে কতবার আসা-যাওয়া করতে হবে—এই ইবাদতগুলোর ক্ষেত্রে আল্লাহ কোন সংখ্যা বা পরিমাণ নির্ধারণ করে দেননি।

এর পেছনে কি আল্লাহর কোন বিশেষ প্রজ্ঞা বা রহমত লুকায়িত আছে?—চলুন কুরআনের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করে দেখি।

আল্লাহ তায়ালা কুরআনে স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন:

“তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো বিচারক খুঁজব? অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত কিতাব অবতীর্ণ করেছেন।” (৬:১১৪)

এই আয়াতটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, দ্বীন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সকল বিধান কুরআনে বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। যদি ইবাদতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সংখ্যা, পরিমাণ বা ফ্রিকোয়েন্সি নির্ধারণ করা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয় হতো, তবে তিনি তা কুরআনে উল্লেখ করতেন। আল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে এগুলোর সংখ্যা নির্ধারণ না করে প্রতিটি ব্যক্তির সামর্থ্য, ইচ্ছাশক্তি ও পরিস্থিতির উপর ছেড়ে দিয়েছেন।

আমরা জানি, প্রচলিত ইসলামে যাকাতের হার নির্ধারণ করা হয়েছে উদ্বৃত্ত সম্পদের ২.৫%। কিন্তু এই হার কুরআনের কোথাও উল্লেখ নেই। এটি কোথা থেকে এলো? এর উৎস হলো হাদীস। কিন্তু কুরআনই যদি সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত হয়, তবে কেন যাকাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের হার কুরআনে উল্লেখ থাকবে না?

কুরআনে যাকাত সম্পর্কে আল্লাহ যা বলেছেন:

“আত্মীয়-স্বজনকে তার হক দান করো এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। আর কিছুতেই অপব্যয় করো না। নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই; আর শয়তান তার রবের প্রতি অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ। আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে কোনো করুণার সন্ধানে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হয় যার প্রত্যাশা তুমি করছ, তবে তাদের সাথে অন্তত নম্রভাবে কথা বলো। তুমি তোমার হাতকে তোমার ঘাড়ের সাথে শিকলবদ্ধ করে রেখো না এবং তা একেবারে খুলেও দিও না; তাহলে তুমি নিন্দিত ও নিঃস্ব হয়ে বসে পড়বে।“ (১৭:২৬-২৯)

এই আয়াতগুলোতে যাকাতের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। বিশেষ করে ২৯ নং আয়াতটিতে লক্ষণীয়: “তোমার হাতকে তোমার ঘাড়ের সাথে শিকলবদ্ধ করে রেখো না এবং তা একেবারে খুলেও দিও না”

এখন প্রশ্ন হলো: যদি যাকাতের হার নির্ধারিত ২.৫% হতো, তাহলে এখানে কৃপণতা ও অপচয়ের বিষয়টি কেন উল্লেখ করা হলো? আল্লাহ এখানে বলছেন, তুমি কৃপণ হয়ো না, আবার অতিরিক্ত ব্যয় করো না—অর্থাৎ, যাকাতের হার নির্ধারিত নয়; বরং এটি প্রতিটি ব্যক্তির আর্থিক সামর্থ্য ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভরশীল।

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেছেন:

আর তারা আপনার কাছে জানতে চায় তারা কী ব্যয় করবে? বলুন, “যা উদ্বৃত্ত” (২:২১৯)

এখানেও “উদ্বৃত্ত” শব্দটি ব্যবহার করে আল্লাহ বোঝাতে চেয়েছেন যে, ব্যয়ের পরিমাণ নির্ধারিত নয়; বরং ব্যক্তি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী নির্ধারণ করবে। একজন ধনী ব্যক্তির জন্য হয়তো ২.৫% যাকাত কোনো ব্যাপার নয়, কিন্তু একজন কম সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য তা অত্যন্ত কষ্টকর হতে পারে। আল্লাহর ন্যায়বিচার দাবি করে যে, তিনি এমন বিধান দেবেন না যা একজনের জন্য সহজ আর অন্যজনের জন্য কঠিন।

হজ্জ ও উমরার সময় সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে যাতায়াত করার বিষয়টি কুরআনে এসেছে:

“নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং যে ব্যক্তি কাবার হজ বা উমরাহ সম্পন্ন করে, তার জন্য এ পাহাড় দুটির মাঝে যাতায়াত করলে কোনো পাপ নেই। “ (২:১৫৮)

এই আয়াতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লক্ষণীয়:

এখানে “যাতায়াত করা” (أَن يَطَّوَّفَ) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি অন্তত একবার আসা-যাওয়াকে নির্দেশ করে। এ থেকে বোঝা যায়, কুরআনের নির্দেশ হলো একবার আসা-যাওয়া করা, সাতবারের কোনো উল্লেখ এখানে নেই।

আয়াতটি আবারও প্রমাণ করে যে, আল্লাহ কেবল ইবাদতের মূল কাজটি নির্ধারণ করে দিয়েছেন (একবার আসা-যাওয়া করা), কিন্তু এর অতিরিক্ত করতে চাইলে তা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি এখানে বাধ্যতামূলক কোন সংখ্যা নির্ধারণ করে দেননি।

এখন আসি সালাতের বিষয়ে। প্রচলিত ধারণা হলো, প্রতিটি সালাত নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাত নিয়ে গঠিত—যেমন ফজর ২ রাকাত, যোহর ৪ রাকাত, আসর ৪ রাকাত ইত্যাদি। কিন্তু “রাকাত” শব্দটি কুরআনের কোথাও উল্লেখ নেই। এটি একটি কুরআন বহির্ভূত ধারণা।

কুরআনে সালাতের জন্য তিনটি অবস্থানের কথা বলা হয়েছে: দাঁড়ানো (قِيَامًا), রুকু (رُكَّعًا), এবং সিজদা (سُجَّدًا)। তবে এই অবস্থানগুলোতে কত সময় কাটাতে হবে, কতবার রুকু করতে হবে, কতবার সিজদা করতে হবে—এসব বিষয়ে কুরআন কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়নি।

কেউ কেউ ৪:১০১ আয়াতের ভিত্তিতে দাবি করেন যে, সালাত অন্তত দুই রাকাত হতে হবে। কারণ এই আয়াতে যুদ্ধের সময় সালাত সংক্ষেপ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাদের যুক্তি হলো, যদি সালাত এক রাকাত হতো, তাহলে “সংক্ষেপ” করা যেতো না। কিন্তু এই যুক্তিটি কয়েকটি কারণে সঠিক নয়:

প্রথমত: “রাকাত” ধারণাটিই কুরআন সম্মত নয়। তাই এমন একটি ধারণার ভিত্তিতে সালাতের ন্যূনতম সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় না।

দ্বিতীয়ত: সালাত সংক্ষেপ করার অর্থ হলো সময় সংক্ষেপ করা। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি সাধারণত সালাতে ১০ মিনিট সময় ব্যয় করে, যুদ্ধকালীন সময়ে সে তা ২-৩ মিনিটে সমাপ্ত করতে পারে। সে দাঁড়ানো, রুকু ও সিজদার প্রতিটি অবস্থানে কম সময় ব্যয় করতে পারে। সিজদায় “সুবহানা রাব্বিয়াল আ‘লা” দশবার বলার পরিবর্তে একবার বলতে পারে।

তৃতীয়ত: ৪:১০২ আয়াতটি লক্ষ্য করুন:

“আর যখন আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন এবং তাদের নিয়ে সালাত কায়েম করবেন, তখন যেন তাদের একদল আপনার সাথে সালাতে দাঁড়ায় এবং তারা যেন নিজেদের অস্ত্র সাথে রাখে। অতঃপর তারা যখন সিজদা সম্পন্ন করবে, তখন যেন তারা তোমাদের পেছনে (পাহারায়) চলে যায়; আর যেন অপর একদল আসে যারা সালাত পড়েনি, তারা যেন আপনার সাথে সালাত আদায় করে…” (৪:১০২)

এখানে বলা হয়েছে, যখন প্রথম দল সিজদা করল (অর্থাৎ একবার সিজদা করল), তখন তাদের সালাত সম্পন্ন হলো। তারপর দ্বিতীয় দল সালাত শুরু করল। এ থেকে বোঝা যায় যে, একটি সালাতে মাত্র একবার সিজদা করাই যথেষ্ট। যদি একাধিক সিজদার প্রয়োজন হতো, তবে উক্ত আয়াতে তার উল্লেখ থাকতো। আল্লাহ বলেন, কুরআন সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত; সুতরাং তিনি যা উল্লেখ করেননি, তা প্রয়োজনীয় নয়।

প্রশ্ন জাগতে পারে, আল্লাহ কেন এসকল ইবাদতের ক্ষেত্রে সংখ্যা বা ফ্রিকোয়েন্সি নির্ধারণ না করে তা ব্যক্তির ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিলেন? এর পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:

আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞান ও রহমতের মাধ্যমে জানেন যে, সব মানুষের সামর্থ্য এক নয়। একজন যুবক সাফা-মারওয়ার মধ্যে কয়েকবার আসা-যাওয়া করতে পারে, কিন্তু একজন বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তির জন্য তা একবার করাও কষ্টসাধ্য হতে পারে। একইভাবে, একজন ধনী ব্যক্তির জন্য ২.৫% যাকাত দেওয়া সহজ, কিন্তু একজন মধ্যবিত্ত ব্যক্তির জন্য ২.৫% যাকাত তার পরিবারের আর্থিক অবস্থাকে সংকটাপন্ন করতে পারে।

যদি আল্লাহ নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করতেন, তবে তা সবার জন্য সমানভাবে ন্যায়সঙ্গত হতো না। আল্লাহ ন্যায়পরায়ণ; তিনি কাউকে সামর্থ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন না।

যদি কোনো ইবাদতের সংখ্যা নির্ধারিত থাকে, তাহলে তা বাধ্যতামূলক আনুগত্যে পরিণত হয়। কিন্তু যখন সংখ্যা অনির্ধারিত, তখন ব্যক্তি তার নিজের ইচ্ছা ও ভালোবাসা থেকে অতিরিক্ত ইবাদত করতে পারে। আল্লাহ চান যে, আমরা স্বেচ্ছায় তাঁর ইবাদত করি, শুধু বাধ্যতামূলকভাবে নয়।

আল্লাহ বলেন:

“আর যে স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করবে, তবে আল্লাহ গুণগ্রাহী, সর্বজ্ঞ।” (২:১৫৮)

আল্লাহ প্রতিটি ব্যক্তিকে তার কর্মের সমানুপাতে প্রতিদান দেবেন। যদি সকলের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত হতো, তাহলে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিদান পাওয়ার সুযোগ পেতো না। কিন্তু যখন সংখ্যা উন্মুক্ত, তখন যে ব্যক্তি বেশি ইবাদত করবে, সে বেশি প্রতিদান পাবে। এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

মজার ব্যাপার হলো, ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহ সংখ্যা নির্ধারণ না করলেও, কিছু ক্ষেত্রে তিনি নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করেছেন। সেগুলো হলো কাফফারা বা প্রায়শ্চিত্তের ক্ষেত্রে—যখন কেউ আল্লাহর আইন লঙ্ঘন করে। যেমন:

“তোমাদের অসার শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদের ধরবেন না; কিন্তু যে শপথ তোমরা ইচ্ছাকৃতভাবে মজবুত করে করো, তার জন্য তিনি তোমাদের ধরবেন। এর কাফফারা হলো দশজন অভাবগ্রস্তকে মধ্যম মানের খাদ্য দান করা যা তোমরা তোমাদের পরিবারকে খাইয়ে থাকো, অথবা তাদের পোশাক দান করা কিংবা একজন দাস মুক্ত করা। তবে যে এর সামর্থ্য রাখবে না, সে তিন দিন রোজা রাখবে।” (৫:৮৯)

এখানে আমরা দেখতে পাই, আল্লাহ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করেছেন (১০ জন মিসকীন বা ৩ দিন সিয়াম)। কারণ এখানে বিষয়টি হলো প্রায়শ্চিত্ত—একটি অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি। এখানে নির্দিষ্ট সংখ্যা থাকা আবশ্যক, কারণ আল্লাহ জানেন কী পরিমাণ প্রায়শ্চিত্ত সেই অপরাধের সমানুপাতিক।

কিন্তু ইবাদতের ক্ষেত্রে, যেখানে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে চায়, সেখানে সংখ্যা নির্ধারণের প্রয়োজন নেই। বরং ব্যক্তি যত বেশি ইবাদত করবে, তত বেশি প্রতিদান পাবে।

আল্লাহ আমাদেরকে একটি সুন্দর নির্দেশনা দিয়েছেন:

“তুমি তোমার হাতকে তোমার ঘাড়ের সাথে শিকলবদ্ধ করে রেখো না এবং তা একেবারে খুলেও দিও না; তাহলে তুমি নিন্দিত ও নিঃস্ব হয়ে বসে পড়বে।” (১৭:২৯)

এই আয়াতের শিক্ষা শুধু অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রেই নয়, বরং ইবাদতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমরা ইবাদতে এমনভাবে কার্পণ্য করব না যে, একেবারেই সেগুলো বাদ দিয়ে দিব; আবার এমনভাবে অতিরিক্ত করব না যে, সেগুলো আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করবে। আল্লাহ চান একটি ভারসাম্যপূর্ণ পন্থা।

কুরআনের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, আল্লাহ ইবাদত-বন্দেগির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বা ফ্রিকোয়েন্সি নির্ধারণ করেননি। যাকাতের শতাংশ, সালাতের রাকাত সংখ্যা, ওজুতে অঙ্গগুলো ৩ বার ধোয়া—এর সব কিছুই পরবর্তী যুগের উদ্ভাবন। এগুলোর কোনো ভিত্তি কুরআনে নেই।

আল্লাহ তার অপরিমেয় প্রজ্ঞা ও রহমতে ইবাদতের সংখ্যা উন্মুক্ত রেখেছেন, যাতে প্রতিটি ব্যক্তি তার সামর্থ্য, ইচ্ছা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী আল্লাহর ইবাদত করতে পারে। এটি আল্লাহর ন্যায়বিচার ও দয়ার প্রতিফলন।

আমাদের কর্তব্য হলো, কুরআনকে সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত গ্রন্থ হিসেবে গ্রহণ করা। আল্লাহ যা নির্ধারণ করেননি, তা আমরা বিধান হিসেবে গ্রহণ করব না। আল্লাহ বলেন:

“তবে কি তাদের এমন কতগুলো শরীক আছে যারা তাদের জন্য দ্বীনের এমন বিধান প্রবর্তন করেছে যার অনুমতি আল্লাহ দেননি?” (৪২:২১)

যারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া দীনে নতুন বিধান প্রবর্তন করে, তারা মূলত আল্লাহর সাথে শরীক স্থাপন করছে। এটি শির্কের পর্যায়ভুক্ত।

আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদেরকে কুরআনের যথার্থ অনুসারী হওয়ার তওফিক দান করেন।